RISIA DAM || KULDIHA WILDLIFE SANCTUARY || Panchalingeswar Tour Video || NILAGIRI || BALASORE TRAVEL

Your video will begin in 15
1 Views

রিসিয়া ড্যাম ও কুলডিহা ওয়াইল্ড লাইফ সেন্চুয়ারী অফবিট জায়গা দেখার আগ্রহ বরাবরই। যেখানে এখন কোন ভীড় নেই, অনন্ত নীরবতা এমনটি। তাই আজ বেরিয়ে পড়া পাশ...

Дата загрузки:2021-10-10T05:40:11+0000

Published
রিসিয়া ড্যাম ও কুলডিহা ওয়াইল্ড লাইফ সেন্চুয়ারী

অফবিট জায়গা দেখার আগ্রহ বরাবরই। যেখানে এখন কোন ভীড় নেই, অনন্ত নীরবতা এমনটি। তাই আজ বেরিয়ে পড়া পাশের রাজ্য উড়িষ্যার, বালাসোর জেলার অন্তর্গত পঞ্চলিঙ্গেশ্বরে। এসে পড়লাম আগে থেকেই বুকিং করে রাখা শকুন্তলা নিবাসে। পঞ্চলিঙ্গেশ্বরে হাতে গোনা মাত্র ৮ টি হোটেল। তার মধ্যেই রয়েছে শকুন্তলা নিবাস ও লক্ষী নিবাস। পঞ্চলিঙ্গেশ্বর পার্কিং এর কাছেই এই হোটেলটি... হোটেল থেকেই দেখা যায় পঞ্চলিঙ্গেশ্বর পাহাড়ের অসাধারণ দৃশ্য। তবে হোটেল মালিক - বিকাশ কুমার বেহেরা মহাশয় সাদা মাটা মনের মানুষ।
দ্বিতীয় দিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে শকুন্তলা নিবাস হোটেলের ডাইনিং রুমে এসে পড়লাম, বিকাশদার ব্রেকফাস্ট একদম রেডি। আলু পরোটা, সস, রায়তা দিয়ে তাড়াতাড়ি খেয়েই বেরিয়ে পড়লাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর যাত্রায়। পথে দুই সাইডে বিভিন্ন সামগ্রির দোকান, উঁচু কিন্তু ঢালাই রাস্তা... সামনেই পার্কিং ও কিছু বাদেই পঞ্চলিঙ্গেশ্বর তোরণ। ৩১১ খানা সিঁড়ির ধাপ পেরিয়ে পৌঁছাতে হবে পঞ্চলিঙ্গেশ্বর পীঠস্থানে। গাছের ডালার আকৃতির রাস্তার রেলিং.... সাইডে সু উচ্চ পাহাড়ের থেকে অঝোর ধারায় ঝর্ণার জল গড়িয়ে পড়ছে। সেই সৌন্দর্য দেখতে রাস্তার ধারে রয়েছে বিশ্রামাগার, সিমেন্টের কারুকার্যময় চেয়ার ও বেঞ্চ। পাহাড়ের উপরেই রয়েছে জুতো রাখার স্থান। একটু বাদে গেলেই বাবা পঞ্চলিঙ্গেশ্বর পীঠস্থান"। পাঁচটি শিবলিঙ্গের উপর দিয়ে অবিরাম ধারায় ঝর্ণার আকারে গড়িয়ে পড়ছে শ্বেত শুভ্র জলরাশি। কাছেই রয়েছে পঞ্চবট বৃক্ষ। অসাধারণ সুন্দর স্বর্গীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ঠিক উপরেই রয়েছে একটি গুহা। কিছু সন্ন্যাসী রয়েছেন গুহাতে।
বাবা পঞ্চলিঙ্গেশ্বরের দর্শন করে বিকাশদার দেখানো পথে চল্লাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর পাহাড়ের হিলটপের উদ্দেশ্যে। সরু রাস্তা, এবড়ো খেবড়ো পথ, রাস্তার দু'দিকেই নাম না জানা বিভিন্ন লতা গুল্ম... ঝোপঝাড়। আমরা বেশ সতর্ক ভাবে এগোতে লাগলাম, কারণ এই পাহাড়ের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু বুনো হাতি। তাই ভয়ে ভয়ে সবাই এগোচ্ছিলাম। নাকে আসছিল বুনো হাতির গন্ধ, রাস্তার বেশ কিছু স্থানে হাতির পটি দেখতে পেলাম। অবশেষে পঞ্চলিঙ্গেশ্বরের হিলটপে পৌঁছলাম। আমাদের এতটা পাহাড়ী রাস্তা ট্রেক করার জয় উপলব্ধি করলাম সবাই। চারিদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ... যতদূর চোখ যায় পাহাড় আর পাহাড়। অসাধারণ সেই অভিজ্ঞতা। বেশ কিছু ছবি ও সেল্ফি তুলে নিয়ে নেমে আসলাম বিকাশদার হোটেলে। স্নান সেরে খেয়ে নিলাম ডিমের কারি, মিক্সড ভেজিটেবল, পনির কড়াই, ঝুরঝুরে আলু-ভাজা, ডাল, চাটনি, স্যালাড, মিষ্টি, পাঁপড়। অল্প বিশ্রাম করেই বিকেলে বেরিয়ে পড়লাম - কুলডিহা ওয়াইল্ড লাইফ সেন্চুয়ারীর পাশেই "রিসিয়া ড্যামের" উদ্দেশ্যে। বৃষ্টি আমাদের সাথ ছাড়ছিল না, বেরোতে না বেরোতেই বৃষ্টি শুরু। বোলেরো গাড়িতে আমরা উঠে গেলাম নীলগিরি বাজারে, তারপর পাহাড়ের কোল ঘেঁষে সোজা উদলা - বালাসোর রাজ্য সড়কে। বেশ কিছু পথ যাওয়ার পর... বাম দিকে সরু রাস্তায় ঢুকে পড়লাম কুলডিহা ফরেষ্টে। মূল গেট বন্ধ থাকায় পাশ দিয়ে পৌঁছে গেলাম রিসিয়া ড্যামে। অসাধারণ সুন্দর প্রকৃতির রূপ। ড্যামের চারিদিকে পাহাড় ও জঙ্গলে মোড়া। ড্যামের মাঝে দেখলাম কিছু জন কাঠের ভেলায় চেপে মাছ ধরছে। নীচের দিকে কিছুটা এগোলেই পড়বে পর পর দুটো ড্যামের চাতাল। ঠিক তার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে রিসিয়ার জল। সরু একটি খালের মাধ্যমে জঙ্গলের মাঝে বয়ে চলেছে।
আমিও তাই ঐ সরু খাল বরাবর হেঁটে জঙ্গলের মাঝের দিকে এগোতে থাকলাম। এই জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে.... হাতি, হরিণ, সাপ, সজারু, শেয়াল, খরগোশ ইত্যাদি ইত্যাদি- তা ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের পাখি দেখা মেলে। এই কুলডিহা ওয়াইল্ড লাইফ সেন্চুয়ারীর মধ্যে।
হঠাৎ দেখা এক বুনো মুরগির, ক্যামেরা তাক করতে হঠাৎ হাওয়া। সন্ধ্যা হয়ে আসছিল তাই দেরি না করে আবারও গাড়ীতে উঠে বসলাম। পৌঁছে গেলাম বিকাশদার শকুন্তলা নিবাস হোটেলে। রাতে দেশি মুরগির ঝোল ও রুটি খেয়ে শুয়ে পড়লাম। কারণ সকাল সকাল চাঁদিপুরের উদ্দেশ্যে বেরোতে হবে যে.... পরবর্তী ভিডিও তে দেখে নিন ইয়াস তাণ্ডবের পর কি অবস্থায় রয়েছে "চাঁদিপুর সমুদ্র সৈকত" ... লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। নীচে গিয়ে আমার ভিডিও গুলো দেখার অনুরোধ রইলো
Category
Travel Tips
Be the first to comment